হেরে যাওয়ার মানসিকতার মাঝে এক অন্যরকম মানসিক শান্তি আছে। ল্যাবেটরি এর মত ভালো স্কুলে পড়ছি কিন্তু সেখানে ভর্তি পরীক্ষা দেই নাই। হেডমাস্টার স্যার বাপের বন্ধু হবার সুবাদে সরাসরি ক্লাসরুমে এন্ট্রি পাই। স্কুলে থাকতে ক্লাসের সব চেয়ে খারাপ ছাত্র এর মধ্যে আমি ছিলাম। ৭০/৮০ ঘরে রোল নাম্বার। না স্যারেরা জীবনে পাত্তা দিসে না আমার থেকে কেউ ভালো রেজাল্ট আশা করছে। পাশ মার্ক পাইলেই খুশি থাকা আমি বুঝে গিয়েছিলাম রেস, কম্পিটিশন আমার জন্য না। আমার সাথের / ব্যাচের বেশির ভাগ ক্যারিয়ারে আমার থেকে যোজন যোজন দূরে আগায় গেছে। HSC এর পর আমার থেকে কেউ আশা করে নাই আমি সরকারি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাবো। সো আমার রেসে পার্টিসিপেট করতে হয় নাই। একটা অদ্ভুত মানসিক শান্তি পেতাম। হয়তো অনেক সময়েই শুনতে হইছে Good for nothing, Useless তারপরেও খুব একটা দুঃখ হইতো না। ব্যাচমেট দের সরকারি ইউনিভার্সিটিতে ভর্তিযুদ্ধ, তারপর বিসিএস এর চাকরি যুদ্ধ দেখছি হাতে এক কাপ চা আর আংগুলের ফাকে বিড়ি নিয়া। আমার আব্বাজান ছিলো আরেক চিজ। বেচারা বুঝে গেসিলেন আমারে দিয়া এই সব হইতো না। কখনো কোন কিছুর জন্যই তেমন একটা প্রেশার দিতো না। সবাই যখন জীবন যুদ্ধে যুদ্ধরত তখন আমি টুক টাক IT এর কাজ করে দিনে আনি দিনে খাই। জীবনে প্রথম প্রেমিকা ছেড়ে যাওয়ার পর বুঝে গেসিলাম এই লাইনেও আমার কিছু হবেনা। তার পর যত গুলা প্রেম করছি জানতাম দুই দিন পর ঠিকই যাইবোগা। মাঝে মাঝে আমার নিজেরে ভয়ংকর রকমের সুখী মানুষ লাগে। জীবনে কোন চাপ নাই, চাওয়া নাই, পাওয়া নাই। কখনো ভালো কিছু পাইলে সারপ্রাইজ পাওয়া, না পাইলে তেমন একটা দু:খ থাকে না।
লেখাটা একদম বাস্তব আর নিঃশব্দে গভীর। হেরে যাওয়ার ভেতরেও একরকম মুক্তি থাকে—যেখানে জীবনের গতি একটু ধীরে চলে, কিন্তু মনটা শান্ত থাকে। ঠিক যেমন Rajniva-এর নীরব পাহাড়ি রিট্রিটে গিয়ে সময়টা থেমে যায়, তবু ভিতরে এক অদ্ভুত প্রশান্তি কাজ করে।
আপনার লিখা পড়ে বুঝলাম প্রেম আপনার জন্য না! আপনার প্রথম প্রেমিকা কেন চলে গিয়েছে তা জানি না, কিন্তু এটা স্পস্ট আপনি বাস্তববাদি না! ভালোবাসাও যে মানুষ ভেদে ভিন্ন হয়, সেটাই আপনি জানেন না! 😅
বাস্তববাদিরা এটা মেনে নেয় অন্তত প্রত্যেক টা মানুষ আলাদা, আর তাদের ভালোবাসার ধরন, চাহিদা আলাদা!
আমার তো মনে হয় আপনি ই কোনদিন কোন মেয়ের মন বুঝতে পারেন নি (বা বুঝতে চান নি), যেটা এক সময় মেয়ে রা বুঝতে পারে, এবং তারা আপনাকে ছেড়ে চলে যায়!